সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

বাম্পার ফলন ও ভালো দামে খুশি কুমিল্লার পাটচাষিরা

মৌসুমের শুরুতেই সোনালি আঁশ পাটের ভালো দাম পাওয়ায় এবার কৃষক পরিবার খুশি। সব শঙ্কা কাটিয়ে এবার হাসি ফুটেছে পাট চাষিদের মুখে। এ কারণে তারা রয়েছেন খোশমেজাজে। পাটচাষি কুমিল্লার বরুড়ার মতি মিয়া বাসসকে বলেন পাটের দাম এবার গত কয়েকবছরের চেয়ে বলা যায় দ্বিগুণ। কদর ও দাম বেড়েছে পাটকাঠিরও। পাট চাষিদের কথা এ অবস্থা যদি থাকে তবে অচিরেই আগের মতো স্বর্ণযুগ ফিরবে সোনালি আঁশে। তবে চাষিদের দাবি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের নজরদারি রাখতে হবে।
জেলা কৃষি বিপণন অফিস সূত্র জানা যায়, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় চলতি বছরে পাটে সর্বোচ্চ মুনাফা ঘরে তুলতে পেরেছেন চাষিরা। বিঘা প্রতি পাট চাষে এবার কৃষকের দ্বিগুণ লাভ হয়েছে। পাটের উৎপাদন খরচ নির্ণয়ে দেখা গেছে, এক বিঘা বা ৩৩ শতক জমিতে পাট উৎপাদন করতে কৃষকের ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ পড়েছে। গড় উৎপাদন বিঘাপ্রতি ১২ মণ হওয়ায় এবং মূল্য বেশি পাওয়ায় গত কয়েক বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ লাভ হয়েছে চাষিদের। বর্তমানে বাজারে ২ হাজার ৩শ’ থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিমণ পাট বিক্রি হচ্ছে। কুমিল্লার বেশ ক’য়েকজন চাষির সাথে কথা বলে জানা যায়, পাট চাষে দাম ভালো হওয়ায় লাভের দেখা মিলছে বিধায় আবার আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে পাঠ চাষে।
উপজেলার বিভিন্ন কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবহাওয়া অনুকূলে  থাকায় এবছর পাটের ফলন হয়েছে আশানারুপ। দামও ভালো মিলছে। কুমিল্লার পাটচাষি শাহজাহান বাসসকে  জানান, এক বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছেন। সেখান থেকে ১০ মণ পাটের ফলন পেয়েছেন। তিনি জানান, বাজারে তুলে প্রতি মণ পাট ২ হাজার ৫শ’ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। এছাড়াও  পাটকাঠি বিক্রি করেছেন ৬ হাজার টাকা। শাহজাহান বলেন, সব মিলিয়ে এক বিঘা জমিতে পাটের আবাদে তার খরচ হয়েছে প্রায় ১১ হাজার টাকা।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সম্ভাবনাময় ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম মাধ্যম কৃষির এ খাতটির দিকে সরকার বিশেষ নজর দেয়ায় হারানো ঐতিহ্য ফিরে আসছে। পাট উৎপাদন বেশী হওয়ায় পাটকলগুলো সহজে পর্যাপ্ত পাট হাতে পাচ্ছে। জুট মিলের উৎপাদিত চট, সুতা, কার্পেট ও বস্তা রফতানী করে যথেষ্ট সুগম হয়েছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথ।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বাসসকে জানান, কুমিল্লায় এবার পাটের ভালো ফলন হয়েছে। কৃষক তার ক্ষেতের পাট বিক্রি করা শুরু করেছেন। দাম ভালো পাওয়ায় তারা খুশি। আগামীতে পাটের আবাদ বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com